Tripura Football: ঘোর অন্ধকারে ত্রিপুরা ফুটবলের ভবিষ্যৎ! তার দায় কার? ক্লাব না টিএফএ’র?

Screenshot 2026 09 15 23 23 07 26 680d03679600f7af0b4c700c6b270fe7 1

টিএসএন ডেস্ক, ২২ সেপ্টেম্বর।।
     ত্রিপুরা ফুটবল কি দাঁড়িয়ে আছে ধংসের মুখে? কেন এই প্রশ্ন? চলতি মরশুমে চন্দ্র মেমোরিয়াল ফুটবল লিগ থেকে একে একে তিনটি ক্লাব তাদের দল সরিয়ে নিয়েছে। এটা অবশ্যই রাজ্য ফুটবলের ঐতিহ্যকে কালিমালিপ্ত করছে। তার জন্য দায়ী কে? অবশ্যই এই দায় নিতে হবে ত্রিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে। ত্রিপুরার ফুটবল ইতিহাসে এর আগে এইরকম নক্কারজনক ঘটনা কখনো ঘটেনি বলেই জানিয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলারা।
   শনিবার উমাকান্ত মিনি স্টেডিয়ামে চন্দ্র মেমোরিয়াল ফুটবল লিগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এগিয়ে চলো সংঘের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল নাইন বুলেটসের। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে এগিয়ে চলো সংঘের ফুটবলাররা মাঠে পৌঁছলেও, গর হাজির ছিলো নাইন বুলেটস’র টিম। স্বাভাবিক কারণেই ম্যাচের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেফারি এগিয়ে চলো সংঘকে ওয়াক ওভার দেয়। এবং পর পর দুই ম্যাচ না খেলেই পুরো পয়েন্ট ঘরে তুলে এগিয়ে চলো।
       চলতি ফুটবল মরশুমের শুরুতেই প্রথম ডিভিশনে অংশ নেয়নি শহরের ঐক্যতান যুব সংস্থা। টুর্নামেন্টের নাম লিপিবদ্ধ করলেও খেলা চলাকালীন অবস্থায় প্রথমে সরে দাঁড়ায় জুয়েলস এসোসিয়েশন। মাত্র একটি ম্যাচ খেলে জুয়েলস নিজেদের সরিয়ে নেয়। দ্বিতীয় দল হিসেবে রামকৃষ্ণ ক্লাবও টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের ছড়িয়ে নেয়। এবার নাইন বুলেটস। ক্লাবগুলি নিজেদের সরিয়ে নেওয়া ঘটনা লজ্জার মুখে পড়েছে রাজ্য ফুটবল অভিভাবক সংস্থা। টুর্নামেন্ট কমিটির সম্পাদক তপন সাহা জানিয়েছেন, অন্যান্য ক্লাবের মতো নাইন বুলেটসও জানিয়েছিল তাদের খেলোয়াড়রা অসুস্থ ।তাই ম্যাচ পিছিয়ে দিতে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী তা সম্ভব নয়।

screenshot 2026 09 22 13 03 40 05 99c04817c0de5652397fc8b56c3b3817125722401810842168

ফুটবল অভিভাবক সংস্থার অন্যতম কর্মকর্তা তপন সাহা জানিয়েছেন, এর আগে কখনো এমন হয়নি। কেন এমন হচ্ছে? তার বক্তব্য, ক্লাব গুলির কর্মকর্তাদের দাবি, প্লেয়াররা নাকি খেপ খলতে শুরু করেছে। তাই নিজেদের লিগ থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।
      ত্রিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম কর্মকর্তা তপন সাহা ক্লাবগুলির কোর্টেই বল ঠেলে দিয়েছেন। আসলে এটাও ধ্রুব বাস্তব ত্রিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান কমিটির সদস্যদের সাংগঠনিক দক্ষতা নিয়োগ প্রশ্ন উঠেছে। ফুটবল অভিভাবক সংস্থার কিছু কর্মকাণ্ডে বিতশ্রদ্ধ রাজ্যের ক্লাবগুলি। তাই তারা টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে। ক্লাব ও ফুটবলার আছে বলেই ফুটবল অভিভাবক  সংস্থার কর্মকর্তাদের ভ্যালু রয়েছে। অন্যথায় ক্রীড়াঙ্গনে ত্রিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের ভ্যালু মলিন কচু পাতার থেকেও নগন্য।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *