টিএসএন ডেস্ক,২০ ডিসেম্বর।।
আমেদাবাদ গেলেন ত্রিপুরা দলের ক্রিকেটাররা। ওই রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে বিজয় হাজারে ট্রফি এক দিবসীয় ক্রিকেট। ২৪ ডিসেম্বর থেকে। উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামবে ত্রিপুরা। প্রতিপক্ষ কেরল। এছাড়া ২০ ডিসেম্বর পুদুচেরি, ২৯ ডিসেম্বর রাজস্থান, ৩১ ডিসেম্বর মধ্যপ্রদেশ, ৩ জানুয়ারি কর্ণাটক, ৬ জানুয়ারি তামিলনাড়ু এবং ৮ জানুয়ারি ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে খেলবে ত্রিপুরা। আসরে অংশ নিতে শনিবার দুপুরের বিমানে আহমেদাবাদের বিমানে বসেছিলেন রাজ্য দলের ক্রিকেটাররা । আসরে ভালো ফলাফল করা নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী ত্রিপুরা। কোচ থেকে ক্রিকেটার সকলেই অত্যবিশ্বাসী। এদিকে ত্রিপুরা দল গঠন নিয়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রশ্ন। গেলো বছর ঘরোয়া ক্রিকেটে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন চিরঞ্জিত পাল। ব্যাট এবং বল – দুই বিভাগেই। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে বঞ্চিত করা হলো চিরঞ্জিত কে? নেওয়া হলো কৈলাসহরের দেবপ্রসাদ সিনহাকে। প্রশ্ন কোন পারফরমেন্সের ভিত্তিতে নেওয়া হলো দেবপ্রসাদ কে? ক্লাব লবি বাজি করতে করতে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার কর্তাদের চাপে রয়েছেন এখন নির্বাচক রাও। এমনই অভিযোগ করতে শুরু করেছে। নতুবা গেলো বছর স্বপ্নের ফর্মে থাকা চিরঞ্জিতকে কেন নেওয়া হয়নি দলে ? নির্বাচকরা ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকার ‘ চেষ্টা করে চলছেন । বলছেন, স্বপ্নীল সিং থাকায় চিরঞ্জিত দলে জায়গা পাননি। প্রশ্ন? কোন পারফরমেন্সের ভিত্তিতে ত্রিপুরার দলের জায়গা পেলেন দেবপ্রসাদ। পারফরম্যান্সের বিচারে পারভেজ সুলতান থেকেও এগিয়ে চিরঞ্জিত। তারপরেও বঞ্চিত। অনেকেই মনে করছেন সংহতি ক্লাবে খেলায় চিরঞ্জিতকে নেওয়া হয়নি দলে? প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি সত্যিই নির্বাচকরা ত্রিপুরার সেরা দল গঠনে বদ্ধপরিকর? নাকি লাবি বাজি করে কোনও রকমের দল করা তাদের কর্তব্য। জাতীয় ক্রিকেটে এ বছর ভরাডুবি হয়েছে ত্রিপুরার। এবারও যদি বিজয় হাজারে ট্রফি তে ভরাডুবি হয় এর দায়ভার নিতে হবে নির্বাচকদেরই। পারবেন কি নির্বাচকরা ওই দায়ভার নিতে? রাজ্য দলে নির্বাচিত ক্রিকেটাররা হলেন: উদয়ন বসু, শ্রীদাম পাল (সহ অধিনায়ক), রিয়াজ উদ্দিন, হনুমা বিহারী, ঋতুরাজ ঘোষ রায়, রজত দে, বিজয় শংকর, তেজস্বী জোসওয়াল, মনি শংকর মুড়া সিং (অধিনায়ক), বিক্রম দেবনাথ, শুভম ঘোষ, স্বপ্নীল সিং, সৌরভ দাস, অভিজিৎ সরকার, রানা দত্ত, অজয় সরকার, শারুক হোসেন, অর্জুন দেবনাথ, সেন্টু সরকার, অর্কপ্রভ সিনহা, নিরুপম সেন, ভিকি সাহা, দেবপ্রসাদ সিনহা এবং পারভেজ সুলতান। হেড কোচ: পি ভি শশীকান্ত, সরকারি কোচ: দেবব্রত চৌধুরী, অনিরুদ্ধ সাহা, ফিজিও রবীন্দ্র কুমার, সাইড আর্ম থ্রওয়ার জয়ন্ত দেবনাথ, মেসার নিলয়জ্যোতি সাহা, এস এন্ড সি যুবরাজ সালবি, ম্যানেজার রাকেশ দাস এবং লজিস্টিক ম্যানেজার অজয় বর্মন।
Tripura Cricket: মনি শঙ্করের নেতৃত্বে আহমেদাবাদের পৌঁছলো রাজ্য দল। দেবপ্রসাদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।


Outstanding post however , I was wondering if you could write a litte more on this topic? I’d be very grateful if you could elaborate a little bit further. Appreciate it!
I reckon something really special in this site.
I am not really fantastic with English but I line up this really leisurely to translate.
I too think thence, perfectly composed post! .