স্পোর্টস ডেস্ক, ৬ ফেব্রুয়ারি।।
২৬- র টি-২০ বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগের রাতে ভারতের ঘরে এলো আরও এক ‘বিশ্বকাপ’। শেষ বছর দেশের মহিলা ক্রিকেট টিমের বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার বিশ্বকাপ দেশে আনল বয়েজ ইন ব্লু’রা।
শুক্রবার জিম্বাবোয়ের বুলাওয়েতে অনূর্ধ্ব -১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচে বৈভব সূর্যবংশীর “ঘাতক” ব্যাটিংয়ে ইংরেজদের ১০০ রানে পরাজিত করে ভারত। এদিন টসে জয়ী হয়ে প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আয়ুষ মাহত্রের ভারত। ভৈবব সূর্যবংশী ও জর্জ অ্যারন ভারতের ইনিংস শুরু করে। কিন্তু সেমি ফাইনালের সেঞ্চুরি করা অ্যারনের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। ক্রিজে নামে অধিনায়ক আয়ুষ মাহত্র।

চাপ কাটিয়ে ভারতের যুব রান মেশিন ভৈবব ঝড় তুলে বাইশ গজে। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেয় আয়ুষ।বৈভব সূর্যবংশী ৮০ বলে ১৭৫ রান করে।ম্যাচে ৫৫ বলে শতরান করেন বিহারের ১৪ বছর বয়সী বৈভব। তার ইনিংস সাজানো ছিলো ১৫টি বাউন্ডারি ও ১৫টি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। অধিনায়ক আয়ুষ করে ৫৩। বৈভব সুনামিতে হাড়-গুড় ভেঙে যায় ব্রিটিশ বোলিং লাইন আপ। শেষ পর্যন্ত ভারত ৫০ ওভারে ৪১১ রানের দানবীয় স্কোর করে।

পাহাড় সমান রান তাড়া করতে গিয়ে যা হওয়ার কথা ছিলো, তাই হয়েছে। পাঁচ ওভারে প্রথম উইকেট খুইয়ে বসে ইংল্যান্ড। ফিরে যান জোফেফ মুর্স। এরপর ইংল্যান্ডের হয়ে বেন মায়েস ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন। দলীয় ১৪তম ওভারে তাঁর উইকেট পড়ে। এরপর ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে যখন ১৪২ রান তখন ১৮ তম ওভারে রিউকে ফেরান কনিষ্ক চৌহান। এরপর ক্রমাগত ‘ইন্টারভেলে’ পর পর উইকেট খোয়াতে থাকে ইংরেজ ব্যাটাররা। একটা সময় ২২ ওভারে ১৭৭ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায় ইংল্যান্ডের। ইংরেজদের ইনিংস কিছুটা এগিয়ে নিয়ে যায় ক্যালেব ফল্কনার। সম্পন্ন করে নিজের সেঞ্চুরি। তবে দলকে নিশ্চিত হার থেকে বাঁচাতে পারে নি।ইংল্যান্ডের ইনিংসের দাড়ি টানে ৩১১ রানে।

ফাইনালে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটের বিষ্ময় বালক ভৈবব সূর্যবংশী। ম্যান অফ দ্যা টুর্নামেন্টের ট্রফিও গিয়েছে ভৈববের দখলেই। ফাইনালের ১৭৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের মধ্য দিয়ে ভৈবব বেশ কয়েকটি রেকর্ডও তৈরি করেছে বিশ্ব ক্রিকেটে। এই জয়ের ফলে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারত টানা ষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।


I was just searching for this info for a while. After six hours of continuous Googleing, at last I got it in your site. I wonder what is the lack of Google strategy that do not rank this type of informative sites in top of the list. Usually the top web sites are full of garbage.