টিএসএন ডেস্ক, ১ মে।।
ত্রিপুরা ক্রিকেটের মানোন্নয়নে একগুচ্ছ প্রস্তাব ও একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (টিসিএ) সম্পাদক সুব্রত দে-কে খোলা চিঠি লিখলেন ক্রিকেট সংগঠক জয়ন্ত দে। দীর্ঘ ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার নিরিখে লেখা এই চিঠিতে জয়ন্তবাবু মূলতঃ বিগত কয়েক মরশুমে রাজ্য দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, ২০২২-২৩ মরশুমে সিনিয়র মহিলা দল টি-টোয়েন্টিতে এবং ২০২৩-২৪ মরশুমে একদিনের ক্রিকেটে নকআউটে পৌঁছালেও, ২০২৫-২৬ মরশুমে অনূর্ধ্ব-২৩ মহিলা দল একটি ম্যাচও জিততে পারেনি। একইভাবে সিনিয়র পুরুষ দলের পারফরম্যান্সও নিম্নমুখী; রঞ্জি ট্রফিতে যেখানে দল আগে ভালো অবস্থানে ছিল, সেখানে শেষ দুই মরশুমে সপ্তম স্থানে নেমে যাওয়াকে তিনি অশনি সংকেত হিসেবে দেখছেন। বহিরাগত কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ এনেও কেন ফলাফল আসছে না, সেই প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি তিনি দাবি করেছেন যে, মহকুমা পর্যায়ে ক্রিকেট পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে এবং ৩-৪টি মহকুমায় খেলা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে। জাতীয় স্তরের টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই স্কুল পর্যায় ও রাজ্যভিত্তিক জুনিয়র টুর্নামেন্ট শেষ করার ওপর জোর দিয়ে তিনি সিনিয়র ও জুনিয়র উভয় পর্যায়ে ম্যাচের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছেন। বিশেষ করে ক্লাব ক্রিকেটে মহিলাদের জন্য বয়স ভিত্তিক কোটা নির্ধারণ এবং সঠিক প্রতিভার সন্ধানে সাব-ডিভিশনগুলিতে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দ্বারা ১৫ থেকে ২১ দিনের সামার ক্যাম্প করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। চিঠিতে নির্বাচকদের স্বচ্ছতা, আম্পায়ার ও ভিডিও অ্যানালিস্টদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং খেলোয়াড়দের বকেয়া ডিএ ও মেডিকেল বিল দ্রুত মেটানোর দাবিও তোলা হয়েছে। ক্রিকেটকে ‘কলঙ্কমুক্ত’ রেখে ত্রিপুরা ক্রিকেটকে সঠিক দিশায় ফেরাতে সম্পাদককে কঠোর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই বিশেষ ক্রিকেট সংগঠক।
Tripura Cricket: যাহার নামে ত্রিপুরা ক্রিকেট। সাফল্য শূন্যের কোটায়। সচিবকে চিঠি ক্ষুব্ধ প্রাক্তন ক্রিকেটারের।


It’s an amazing article in favor of all the web viewers;
they will obtain advantage from it I am sure.
Way cool! Some extremely valid points! I appreciate you writing this write-up plus the
rest of the site is very good.
Tham gia UG88 và trải nghiệm một thế giới
game trực tuyến hoàn toàn mới. Nền tảng được cấp phép,
thanh toán nhanh chóng và hỗ trợ 24/7.