টিএসএন ডেস্ক, ৪ নভেম্বর ।।
জীবনের অন্যতম সেরা ইনিংস। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে ত্রিপুরাকে মূল্যবান ৩ পয়েন্ট এনে দিলেন মনি শংকর মুড়া সিং। রাজ্যের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার মনি শংকর জীবনের পঞ্চম শতরান করার পাশাপাশি আসরের বাকি ম্যাচগুলিতে ভালো খেলার জন্য ত্রিপুরা দলকে কার্যত অক্সিজেন দিয়েছেন। মনিশংকরের অধিনায়কোচিত ইনিংসে বাংলার বিরুদ্ধে লিড নিলো ত্রিপুরা। রঞ্জি ট্রফি ক্রিকেটে। যে প্রত্যাশা নিয়ে অনুষ্টপ মজুমদার-রা পূর্বোত্তরের এ রাজ্যে এসেছিলেন তাতে কার্যত জল ঢেলে দিলেন মণীশংকর। সঙ্গে অবশ্যই হনুমা বিহারী এবং রানা দত্ত। ওই ত্রয়ীর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ত্রিপুরা মরশুমের প্রথম পয়েন্টের মুখ দেখলো। এম বি বি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলার ৩৩৬ রানের জবাবে ত্রিপুরা প্রথম ইনিংসে ৩৮৫ রান করে। ৪৯ রানে পিছিয়ে থেকে ম্যাচের শেষ বল পর্যন্ত বাংলা তিন উইকেট হারিয়ে ৯০ রান করেছিল। ৮-১১ নভেম্বর ত্রিপুরা চতুর্থ ম্যাচ খেলবে অসমের বিরুদ্ধে। ওই ম্যাচের আগে মনোবল কয়েকগুণ বাড়িয়ে নিলেন ত্রিপুরার ক্রিকেটাররা। প্রথম দুই ম্যাচে চূড়ান্ত ব্যর্থ হওয়ার পর বাংলার বিরুদ্ধে দুরন্তভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন ত্রিপুরার ক্রিকেটাররা। তবে মরশুমের বাকি ম্যাচগুলিতে সাফল্য পেতে হলে দলের প্রথম সারির ব্যাটসম্যানদের রানে ফিরতেই হবে। নতুবা চাপে পড়ে যাবে রাজ্য দল। বাংলার বিরুদ্ধে হনুমা এবং মনি শংকর যদি শতরানের চোখ ঝলসানো ইনিংস উপহার না দিতেন তাহলে হয়তো বা পরাজয়ের হ্যাটট্রিক করে নিতে পারতো। বাংলার ৩৩৬ রানের জবাবে তৃতীয় দিনের শেষে ৭ উইকেটে ২৭৩ রান করে লিড নেওয়ার দোরগোড়াই ছিল ত্রিপুরা। দেখার ছিল শেষ দিনের শুরুতে দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান হনুমা বিহারী এবং মনি শংকর কতটা চাপ নিতে পারেন। দলীয় ৩১৬ রানের মাথায় হনুমার দুরন্ত ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। মনিশংকরের সঙ্গে ১৮৪ বল খেলে ১১৬ রানের পার্টনারশীপ করেন ত্রিপুরার পেশাদার ওই ক্রিকেটারটি। আউট হওয়ার আগে ২৫৩ বল খেলে ১৯ টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১৪১ রান করেন। লিড নিতে তখনও ত্রিপুরার দরকার ২১ রান। উত্তেজনায় দু-শিবিরই কাপছিল। তখনই মনি শংকরের সঙ্গে কড়া প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অলরাউন্ডার রাণা দত্ত। ওই জুটি প্রত্যাশিতভাবে ত্রিপুরাকে লিড এনে দেন। ওই জুটি ৭২ বল খেলে মোক্ষম ৬১ রান যোগ করেন। রানা ৪৯ বল খেলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৭ রান করেন। দলীয় ৩৮৫ রানের মাথায় শতরান পূরণ করেন মনিশঙ্কর। এই রান করতে ১৩০ বল খেলে ১২টি বাউন্ডারি ও ৩টি ওভার বাউন্ডারি মারেন। শেষ পর্যন্ত ত্রিপুরা ৩৮৫ রান করতে সক্ষম হয়। মনি শংকর ১০২ রানে অপরাজিত থেকে যান। বাংলার পক্ষে মোহাম্মদ কাইফ ৭৯ রানে চারটি, ঈশান পোড়েল ৭২ রানে তিনটি এবং রাহুল প্রসাদ ৫৫ রানে দুটি উইকেট দখল করেন। ৪৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সফররত দল। এক সময় মাত্র ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ছিল বাংলা। ওই অবস্থায় অনুষ্টুপ মজুমদার এবং শাহবাজ রুখে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত দু দলের অধিনায়কের সম্মতিক্রমে ম্যাচ যখন শেষ হয় তখন বাংলা ৯০ রান করে তিন উইকেট হারিয়ে। অনুষ্টুপ তেষট্টি বল খেলে দুটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৪ রানে এবং শাহবাজ ৪৫ বল খেলে সাতটি বাউন্ডারি সাহায্যে ৫১ রানে অপরাজিত থেকে যান। ত্রিপুরার পক্ষে অভিজিৎ সরকার ১১ রানে দুটি এবং রানা দত্ত আট রানে একটি উইকেট দখল করেন। ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ত্রিপুরার হনুমা বিহারী।
Ranji Trophy: জীবনের সেরা ইনিংস খেলে রাজ্যকে তিন পয়েন্ট এনে দিলো মনি শঙ্কর।


Yo, Rummy91login is actually pretty decent! Got some good bonuses when I signed up and the games run smoothly. Haven’t had any major issues, just wish they had a bigger tournament schedule. Worth checking out though! Learn more at rummy91login.
Downloaded the sv66apps a few days back and I like it! Much easier to play on my phone. Pretty smooth too. Give it a try at sv66apps. May your odds be forever in your favour.
I am no longer certain where you are getting your info, but great topic. I needs to spend some time finding out more or figuring out more. Thanks for fantastic info I was in search of this info for my mission.
I’ve read some good stuff here. Certainly worth bookmarking for revisiting. I surprise how much effort you put to create such a excellent informative web site.
This is really interesting, You are a very skilled blogger. I’ve joined your feed and look forward to seeking more of your magnificent post. Also, I’ve shared your web site in my social networks!